১৩ বছর থেকে ৪০ বছর বয়সের মহিলাদের মাসিকের সমস্যা খুবই সাধারণ বিষয়। এই মাসিকের সমস্যাগুলো বিভিন্ন রকম হতে পারে। যেমন- ঘন ঘন মাসিক হওয়া, দুই-তিন মাস পর পর মাসিক হওয়া কিংবা দীর্ঘদিন মাসিক বন্ধ থাকা।
অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই সমস্যাগুলো বিভিন্ন ধরণের হরমোন জনিত রোগের বা সমস্যার কারণে হয়ে থাকে। তবে, কারো কারো ক্ষেত্রে জরায়ুতে সমস্যার কারণেও মাসিক অনিয়মিত হতে পারে।
মাসিকের সমস্যার সাথে অন্যান্য শারীরিক সমস্যা যেমন- দ্রুত ওজন বৃদ্ধি, মুখে বুকে অবাঞ্ছিত লোম প্রভৃতি লক্ষণ থাকতে পারে। মনে রাখতে হবে, স্বাভাবিক এর তুলনায় ওজন বেশি হলে মাসিকের সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যায়।
মাসিকের সমস্যা হলে কি কি পরীক্ষা করতে হবে?
1. থাইরয়েড হরমোনের জন্য
FT4, TSH, Anti Thyroid Antibody
2. প্রোল্যাক্টিন হরমোনের জন্য
S. Prolactine
3. এছারাও কিছু রোগীর ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত হরমোন গুলো পরীক্ষা করা লাগতে পারে
FSH, LH, S. Testosterone, DHEAs, Estradiol প্রভৃতি
4. যাদের ওজন বেশি তাদের জন্য নিম্নোক্ত পরীক্ষা গুলো করা জরুরী
OGTT, Lipid Profile, SGPT, Uric Acid
5. জরায়ুর সমস্যার জন্য
USG of Pelvic Organ
Or
USG of Lower Abdomen ( মাসিকের ৭ম থেকে ১০ম দিনের মধ্যে )
তাই ঋতুস্রাব বা মাসিকের যে কোনো সমস্যা হলে দ্রুত একজন হরমোন রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিৎ ।
