খাবার যেন স্বাস্থ্যসম্মত হয় ও রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে, সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।
ইফতার:
⇒ পানি শূন্যতা রোধ এবং শরীরে বিপাকক্রিয়ার জন্য শরবত একটি অপরিহার্য পানীয়। ইসুবগুল, তোকমা, কাঁচা আম, তেঁতুল, লেবুর তৈরি শরবত খাওয়া যাবে; চিনি, গুড়, মধু বাদ দিয়ে। তবে বিকল্প চিনি ব্যবহার করা যাবে।
⇒ ইফতারির খাবারের পরিমাণ হবে অন্যান্য সময়ের রাতের খাবারের সমপরিমাণ। অন্যথায় হাইপারগ্লাইসেমিয়া হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।
সন্ধ্যারাত:
⇒ ডায়াবেটিক রোগীদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে সন্ধ্যারাতের খাবার একেবারেই বাদ দেওয়া উচিত নয়।
⇒ অন্যান্য সময়ের সকালের নাস্তার সমপরিমাণ খাবার খেতে হবে সন্ধ্যারাতে।
সেহরি:
⇒ ডায়াবেটিক রোগীদের সেহরির শেষ সময়ে খাবার খেতে হবে। এতে করে দিন শেষে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি কমবে।
⇒ সেহরিতে খেতে হবে অন্যান্য দিনের দুপুরের খাবারের সমপরিমাণ খাবার।
⇒ সেহরিতে দুধ-ভাত-ফল একসাথে ( খেলে ডায়াবেটিস বাড়বে ) না খেয়ে যে কোন দুইটি ধরণ (দুধ ও ভাত বা ভাত ও ফল ) খাওয়া যাবে।
