Diabetes & Hormonal Blog
রমজান মাসে মধ্যম ঝুঁকি সম্পন্ন ডায়াবেটিক রোগী সমস্যার সম্মখীন হতে পারে
» যার HbA1c ( রক্তের ৩ মাসের গড় মাত্রা ) এর মাত্রা ৭.৫-৯% এবং রক্তে সুগারের মাত্রা ৫.৮-৭.৫ মি.মোল/লিটারের মধ্যে থাকলে » যারা পরিবারের সদস্য ছাড়া একাকী বাস করেন » বয়স্ক ডায়াবেটিক রোগী যারা অসুস্থ » ডায়াবেটিক রোগী যারা নিউরোপ্যাথিক চিকিৎসা নিচ্ছেন » যারা কিডনি রোগের সমস্যায় আছেন » যাদের ডায়াবেটিকজনিত একাধিক জটিলতা আছে » …
রমজান মাসে মধ্যম ঝুঁকি সম্পন্ন ডায়াবেটিক রোগী সমস্যার সম্মখীন হতে পারে Read More »
রমজান মাসে উচ্চ ঝুঁকি সম্পন্ন ডায়াবেটিক রোগী সমস্যার সম্মখীন হতে পারে
⇒ টাইপ-১ ডায়াবেটিক রোগী ⇒ রমজানের আগের ৩ মাসের মধ্যে কখনো হাইপোগ্লাইসেমিয়া হয়ে থাকলে ⇒ হাইপোগ্লাইসেমিয়া নিয়ন্ত্রণের উপর পর্যাপ্ত জ্ঞান না থাকলে ⇒ রমজানের আগের ৩ মাসের মধ্যে কিটো-এসিডোসিস হয়ে থাকলে ⇒ রক্তে সুগারের অনিয়ন্ত্রিত মাত্রা ⇒ কিডনি ডায়ালাইসিসের রোগী ⇒ প্রচুর শারীরিক পরিশ্রমকারী ⇒ মারাত্মক শারীরিক অসুস্থতা সম্পন্ন ডায়াবেটিক রোগী ⇒ গর্ভবতী ডায়াবেটিক রোগী
কোন অবস্থায় একজন ডায়াবেটিক রোগীর রোজা ভেঙ্গে ফেলা উচিত?
» যদি রোগী ইতিমধ্যে হাইপোগ্লাইসেমিয়াতে ( রক্তে স্বল্পমাত্রার সুগার ) আক্রান্ত হয়। » যদি রোজাদার ব্যক্তি অন্য কোন শারীরিক অসুস্থতায় আক্রান্ত হয়। » যদি রক্তে সুগারের মাত্রা ১৬.৭ মি.মোল/লিটারের চেয়ে বেশি হয়। » রোজা থাকা অবস্থায় যদি রক্তে সুগারের মাত্রা ৩.৯ মি.মোল/লিটারের চেয়ে কম হয়ে যায়, বিশেষ করে যদি ইনসুলিন বা মুখে খাওয়ার ওষুধ ব্যবহারের …
কোন অবস্থায় একজন ডায়াবেটিক রোগীর রোজা ভেঙ্গে ফেলা উচিত? Read More »
ডায়াবেটিক রোগী রমজান মাসে কোন ধরণের ব্যায়াম করতে পারবে কিনা ?
হ্যাঁ, করতে পারবে। তবে রোজা থাকা অবস্থায় ব্যায়াম করা উচিত নয়। ইফতারের ১-২ ঘণ্টা পর ব্যায়াম করতে পারবে। রোজায় তারাবীর নামাজকেও প্রতিদিনের ব্যায়াম হিসাবে গণ্য করা হয়।




